প্রায় ১০ দিনের সফর শেষ করে ফের পৃথিবীতে ফিরে এল Artemis II এর স্পেসক্রাফ্ট Orion ৷ এর পাশাপাশি মহাকাশযানে থাকা চার মহাকাশচারীও সফল ভাবে ফিরে এসেছেন ৷ তাঁরা প্রত্যেকেই সুরক্ষিত রয়েছেন বলে NASA-র তরফে জানানো হয়েছে ৷ তবে প্রত্যেকের মেডিক্যাল চেক-আপের পরেই শারীরিক পরিস্থিতি বিস্তারিত জানা যাবে ৷ ফ্লোরিডার স্থানীয় সময় রাত ৮ টা ০৭ মিনিটে এ প্রশান্ত মহাসাগরের ফ্লোরিডার কাছের একটি অংশে সফল ভাবে নেমে আসে ওরিঅন স্পেসক্রাফ্ট ৷ NASA তাদের ব্লগে জানিয়েছে, 8.07 এ ওরিয়ন স্পেসক্রাফ্ট পৃথিবীতে ফিরে এল ৷ মহাকাশযানটি সফলভাবে স্যান দিয়েগোর একটি এলাকায় প্যারাসুটে নির্ভর করে স্প্ল্যাসডাউন করেছে ৷ তারপর ইঞ্জিনিয়ররা একাধিক পরীক্ষা করেন এবং সম্পূর্ণভাবে মহাকাশযানটির পাওয়ার-ডাউন করা হয় ৷ নাসার রিকভারি ডায়েক্টরের নির্দেশে মার্কিন সেনাবাহিনীর ছোটো নৌকা স্পেসক্রাফ্টের কাছে পৌঁছয় ৷ সঙ্গে ছিলেন ইঞ্জিনিয়রদের একটি দল ৷ তাঁরা স্পেসক্রাফ্টটি পরীক্ষা করার পর সম্পূর্ণভাবে পাওয়ার ডাউন করেন ৷ প্রায় এক ঘণ্টা পর চার মহাকাশচারীকে ওরিঅন থেকে বের করা হয় ৷ তারপর বায়ুসেনার হেলিকপ্টারে করে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁদের জন্য রাখা নির্দিষ্ট জাহাজে ৷ এবং সেই জাহাজে করে তাঁরা ফিরে আসেন ৷ সর্বপ্রথম চার মহাকাশচারীকে নিয়ে যাওয়া হয় নির্দিষ্ট হাসপাতালে ৷ সেখানে তাঁদের শারীরিক বিষয় পরীক্ষা করা হয় ৷ এবং সেখান থেকে NASA-র হউসটন সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয় ৷ ১ এপ্রিল (ভারতীয় সময়ে ২ এপ্রিল) ভূপৃষ্ঠ ছেড়ে ডিপ স্পেসের উদ্দেশে রওনা হয়েছিল স্পেসক্রাফ্ট ওরিঅন ৷ সঙ্গে ছিলেন চার মহাকাশচারী ৷ তাঁরা হলেন, কমান্ডার রেইড উইশম্যান (Reid Wiseman), পাইলট ভিক্টর গ্লোভার (Victor Glover), মিশন বিশেষজ্ঞ ক্রিশ্চানা কোচ (Christina Koch) এবং কানাডার স্পেস এজেন্সি থেকে জেরেমি হানসেন (Jeremy Hansen) ৷ প্রথমে পৃথিবীর চারপাশে প্রদক্ষিণ করে চাঁদের কাছে পৌঁছয় ওরিঅন ৷ সেখানে চাঁদের চারপাশে ঘুরে ফের পৃথিবীতে ফিরে এল ৷ নাসা আগেই জানিয়েছিল, Artemis II এর মহাকাশচারীরা চাঁদে নামবেন না ৷ তাঁরা চাঁদের কাছাকাছি গিয়ে ফের ফিরে আসবেন ৷ সেইমতো ৯ দিন ১ ঘণ্টা ৩২ মিনিট ১৫ সেকেন্ড কাটিয়ে সফলভাবে ফিরলেন চার মহাকাশচারী ৷