বিধানসভায় রাজ্য বাজেট পেশ হওয়ার পরেই নিউটাউনের অভিজাত পাঁচতারা হোটেলে একে একে জড়ো হন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিমেরা৷ সূত্রের খবর, সেখানে একটি কমিটি তৈরি হয়৷ যার চেয়ারম্যান করা হয় বিধায়ক, তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ রায়কে৷ বৈঠকের মঞ্চ থেকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘তৃণমূল কংগ্রেসের সংবিধানের ২০ নম্বর ধারায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে যে প্রতি তিন বছর অন্তর দলের জাতীয় ওয়ার্কিং কমিটি গঠন করতে হবে। শেষবার ২০২২ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি তৃণমূল কংগ্রেসের জাতীয় ওয়ার্কিং কমিটি গঠিত হয়েছিল। সেই সময়সীমা অতিক্রম করে ইতিমধ্যেই তিন বছরের বেশি সময় পেরিয়ে গিয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত নতুন ওয়ার্কিং কমিটি গঠন করা হয়নি।’’ সেই উদ্দেশ্যেই এই বৈঠক বলে জানান ঋতব্রত৷ সূত্রের খবর, বৈঠকে রেজোলিউশন গৃহীত হয়েছে, তাতে উপস্থিত সকলে সইও করেছেন৷ সূত্রের খবর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কমিটি ব্যবস্থা নিতে চলেছে ভবিষ্যতে৷ জানা গিয়েছে, মোট ২০জনের কমিটি গড়া হয়েছে৷ ১০ জন জাতীয় কমিটির সদস্য৷ ২১ দিন পরে আবার বৈঠক হবে৷ অরূপ রায়কে করা হয়েছে সর্বভারতীয় চেয়ারম্যান৷ অরুপ বিশ্বাস, ফিরহাদ হাকিম, জাভেদ আহমেদ খান, রথীন ঘোষ ভাইস প্রেসিডেন্ট৷ বিপ্লব মিত্র নয়া প্রেসিডেন্ট৷ কাউন্সিলরদের নিয়ে ২৫ তারিখ বৈঠক। লালবাজারে তাদের নিয়ে যাওয়া হবে কলকাতা পুলিশ কমিশনারের কাছে৷

নতুন পার্টি অফিস

শুধু তাই নয়, নতুন পার্টি অফিসও নিয়েছে ঋতব্রতপন্থী তৃণমূল৷ বালিগঞ্জে জায়গা নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। জাভেদ খানকে এর জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর৷

সম্পত্তি ও লোগো নিয়ে আইনি লড়াই

ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের তরফে জানানো হয়েছে, তৃণমূল কংগ্রেসের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নিয়ে তাঁরা আইনি লড়াই চালাবেন। লোগো এবং সম্পত্তির বিষয়টি আইনজীবীরা দেখছেন। দিল্লি থেকে বিশেষ আইনজীবী দলের সঙ্গে আলোচনা করছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়৷ এদিনের বৈঠকে সেই আইনজীবীরা উপস্থিতও ছিলেন৷ সোমবার বিধানসভায় বাজ পেশ হওয়ার পর পরই ঋতব্রত-সন্দীপন-ফিরহাদেরা চলে গেলেন নিউটাউনের ধারে থাকা একটি পাঁচ তারা হোটেলে৷ সেখানেই হচ্ছে বৈঠক৷