banganews.net

শহরে হাওয়ালা চক্রের পর্দা ফাঁস । বিধাননগর পুলিশ বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার করেছে দুই পাচারকারীকে । ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রায় 4 কেজি সোনা ৷ যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ছয় কোটি টাকা । এই খবর নিশ্চিত করেন বিধাননগরের পুলিশ কমিশনার রাঠোর অমিত কুমার ভরত ৷ জানিয়েছেন, এই পাচারের নেপথ্যে কাজ করছে এক বিশাল হাওয়ালা সিন্ডিকেট । পুলিশ জানিয়েছে, লেকটাউনে বি-ব্লক পার্কের কাছে দুই ব্যক্তির কার্যকলাপ সন্দেহজনক মনে হওয়ায় গতকাল রাতে তাঁদের আটক করে লেকটাউন থানার পুলিশ । এরপর তল্লাশি চালাতেই ওই দুই ব্যক্তির কাছ থেকে উদ্ধার হয় বিপুল সোনার বিস্কুট । ওই সোনা নিয়ে যাওয়ার উপযুক্ত কোনও নথিপত্র দেখাতে না-পারায় দু’জনকেই গ্রেফতার করা হয় । প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ধৃত দু’জনই ভিন রাজ্যের বাসিন্দা । তবে তদন্তের স্বার্থে অভিযুক্তদের নাম ও পরিচয় আপাতত গোপন রেখেছে পুলিশ । পুলিশ কমিশনারের বক্তব্য, ধৃতদের পরিচয় প্রকাশ্যে আনলে তাদের সঙ্গে যাঁরা জড়িত, সতর্ক হয়ে যেতে পারে ৷ সেক্ষেত্রে তদন্তে প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা ৷ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এদিন বিধাননগরের পুলিশ কমিশনার জানান, প্রাথমিক তদন্তে স্পষ্ট, উদ্ধার হওয়া সোনা ও ধৃত দু’জন বড় চক্রের অংশ । এর পিছনে একটি আন্তর্জাতিক বা আন্তঃরাজ্য হাওয়ালা চক্র কাজ করছে । অবৈধভাবে টাকা ও সোনা পৌঁছে দেওয়াই ছিল এদের কাজ । পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ধৃতদের পুলিশি হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চালানো হচ্ছে । এই সোনা কোথায় পাচার করার উদ্দেশ্য ছিল, কোথা থেকে আনা হয়েছিল এবং এই চক্রের মূল মাথাদের সন্ধান পেতে তদন্ত জোরদার করা হয়েছে । গোটা চক্রের আর কোন কোন পাচারকারী এই মুহূর্তে সক্রিয় রয়েছে, তাদের খোঁজে জোরদার তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ ৷ গত সপ্তাহেই হাড়োয়ার কালিকাপুর এলাকার একটি খারিজি মাদ্রাসা-সংলগ্ন অফিসে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় 40 লক্ষ টাকা এবং 180 গ্রাম সোনা উদ্ধার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) এবং উত্তরপ্রদেশের অ্যান্টি টেররিস্ট স্কোয়াড ৷ এর মধ্যে একাধিক সোনার কয়েনও উদ্ধার হয় ৷