ভবানীপুর কেন্দ্রের প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন জমা দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সময় তাঁর পাশেই ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর শাহকে প্রণামও করেন বিরোধী দলনেতা। এ দিকে, শুভেন্দুর মনোনয়ন কর্মসূচির সময় তৃণমূলের বিক্ষোভ ঘিরে উত্তপ্ত মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কেন্দ্র ভবানীপুর। বৃহস্পতিবার সার্ভে বিল্ডিংয়ে মনোনয়ন জমা দিতে গিয়েছিলেন শুভেন্দু। সেই সময় বাইরে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকেরা। উল্টো দিকে থাকা বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে তাঁদের বচসাও বাধে। বিজেপির দাবি, তৃণমূল সমর্থকদের কয়েক জন হামলা চালিয়েছেন। তাতে বিজেপির এক কর্মী জখম হয়েছেন। তাঁর চোখে আঘাত লেগেছে। তার জেরে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় বাহিনী পৌঁছয় সেখানে। ভবানীপুরে শুভেন্দুর মনোনয়নকে প্রথম থেকেই বড় রাজনৈতিক কর্মসূচি হিসাবেই তুলে ধরতে চেয়েছে বিজেপি। সেই কারণে মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিদ্বন্দ্বী শুভেন্দুর সঙ্গে এই কর্মসূচিতে থেকেছেন শাহ। হাজরা মোড়ে বিজেপির সভায় অংশ নেওয়ার পর রোড শোয়ে ছিলেন। সেই রোড শো-ই সার্ভে বিল্ডিং পর্যন্ত এসেছে। হাজারা মোড়ের সভায় অমিত শাহ বলেন, ‘ভোটের আগে ১৫ দিন আমি পশ্চিমবঙ্গেই থাকব। আপনাদের সঙ্গে কথা বলার অনেক সুযোগ পাব। আজ আমাদের প্রার্থীদের, বিশেষ করে শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়নের জন্য আমি এসেছি।’ অমিত শাহ জানান, তাঁর কথাতেই ভবানীপুর থেকে লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন শুভেন্দু। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কথায়, ‘আমাদের শুভেন্দুদা নন্দীগ্রাম থেকে লড়তে চাইছিলেন। আমি শুভেন্দুদাকে বললাম, শুধু নন্দীগ্রাম নয়। মমতার ঘরে ঢুকে তাঁকে হারাতে হবে। আর ওঁর তো রেকর্ড আছেই। গত ভোটে মমতা পশ্চিমবঙ্গে সরকার তো গড়েছিলেন, কিন্তু নন্দীগ্রামে শুভেন্দুদার কাছে হেরে গিয়েছিলেন। এ বার মমতা গোটা রাজ্যে তো হারবেনই, ভবানীপুরেও হারবেন।’

