নির্বাচনের দিন কোনও গণ্ডগোলের সময় কোনও সরকারি আধিকারিকের ফোন বন্ধ থাকলে তাঁর বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে । কোচবিহারে ল্যান্সডাউন হলে নির্বাচন সংক্রান্ত সমস্ত আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠকের পর এই কড়া নির্দেশ দিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল । পাশাপাশি তিনি বলেন, যে রাজনৈতিক দলই গণ্ডগোল বাধাবে, তাদের বিরুদ্ধেই কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে । এছাড়াও কোনও এলাকায় বোমাবাজি হলে সংশ্লিষ্ট এলাকার ওসি-দের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে । এদিন মেদিনীপুরেও ভোট পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন মনোজ কুমার আগরওয়াল ৷ রাজ্যে প্রথম দফায় আগামী 23 এপ্রিল কোচবিহার জেলার 9টি বিধানসভায় ভোটগ্রহণ হবে । প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার বুথে চলবে ভোটগ্রহণ । বিগত দিনে বিভিন্ন নির্বাচনে কোচবিহার জেলায় ব্যাপক অশান্তির ঘটনা ঘটেছে । বোমাবাজি থেকে বুথ দখল, এমনকী প্রাণহানির মতো ঘটনাও ঘটেছে । তাই এবারে নির্বিঘ্নে কোচবিহার জেলায় নির্বাচন করাটা কমিশনের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ । তাই এই নির্বাচনে আগে ভাগে প্রস্তুতি নিয়েছে কমিশন । প্রশাসনের আধিকারিকদের নিয়ে দফায় দফায় বৈঠক করেছেন কমিশনের আধিকারিকরা । ইতিমধ্যে মোট বুথের 20 শতাংশ বুথকে সংবেদনশীল বলে ঘোষণা করে কাজ শুরু হয়েছে । সবদিক খতিয়ে দেখতে নির্বাচনের ঠিক আগে সোমবার রাতে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়ালের নেতৃত্বে ফুল বেঞ্চ কোচবিহারে আসে । এরপর প্রথমে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে ও পরে জেলা প্রশাসন, পুলিশ, কেন্দ্রীয় বাহিনী-সহ নির্বাচনের কাজে যুক্ত থাকা সমস্ত দফতরের আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠক করেন । নির্বাচন নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে বৈঠকে কড়া নির্দেশিকা দেওয়া হয় । বৈঠকের পর তিনি সাংবাদিকদের জানান, “নির্বাচনের দিন গণ্ডগোলের সময়ে কোনও সরকারি আধিকারিকের ফোন বন্ধ থাকলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে । বাংলাদেশ লাগোয়া এলাকাগুলোতে কড়া নজরদারি থাকছে । বুথের দায়িত্বে থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী ৷ বহিরাগত কেউ বুথের আশপাশে থাকবে না । ভোটিং কম্পার্টমেন্টের মধ্যে একসঙ্গে দু’জন গেলেই কমিশনের কাছে সেই খবর চলে যাবে ।”