গদ্দার লিস্ট করে দিয়েছে কাকে কাকে অ্যারেস্ট করতে হবে। মঙ্গলবার হলদিয়ার সভা থেকে তীব্র আক্রমণ শানালেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেন,”এই জেলায় গদ্দার লিস্ট করে দিয়েছে, কাকে কাকে অ্যারেস্ট করতে হবে। ভোটের পরে তুমি নিজেকে সামলাও। অনেক কেলেঙ্কারি আছে। হলদিয়া থেকে কত ট্রাক যায়? সেই ট্রাকের কাটমানি কে খায়? যত কোম্পানি আছে, তাদের থেকে মাসে মাসে টাকা কে তোলে? সব একজনই তোলে।” নাম না করে গদ্দারের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আপনারা এ বারে নিজেদের অস্তিত্ব বাঁচানোর জন্য, যদি পূর্ব মেদিনীপুর জেলা কোনও গদ্দারের হাতে বিক্রি করতে না চান, তা হলে সব আসনে, সব চক্রান্ত ব্যর্থ করে জোড়াফুলকে ভোট দিন।” তাঁর কোথায়,”তোমাদের এত অহঙ্কার, এক ভাই সাংসদ। তুমি বিধায়ক। আর এক ভাই বিধায়ক। পুরো পরিবারটাকে ঢেলে দিয়েছ। আমাদের পরিবারের এমএলএ ইলেকশনে আমি ছাড়া কেউ দাঁড়ায়নি।” দলনেত্রী আরও বলেন,”আমি এদের আজ নয়। দীর্ঘদিন ধরে চিনি। আগে কংগ্রেস করত। তার আগে তিন-চার বার করে হেরেছে। আমি অনেক দিয়েছি এই পরিবারকে। আর পারব না দিতে। এখনও বিজেপির সাহায্যে দুধে ভাতে আছে।” তাঁর কথায়,”এ বারেরও লোডশেডিং করে দেবে, ছাপ্পা ভোট করে দেবে। নন্দীগ্রামেই ৪০ জনকে নোটিস পাঠিয়েছে এনআইএ। কেন বাবা? এই ছ’বছর কি তুমি কুম্ভকর্ণের মতো ঘুমোচ্ছিলে! আজ বলছ, এক হাজার তৃণমূল কর্মীকে গ্রেফতার করতে হবে।” মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরও সংযোজন,”পুলিশকে আমি কোনওদিন দেখিনি যে তারা বিজেপির পক্ষ হয়ে কাজ করে। এক পক্ষ হয়ে কাজ করছে। ” মাতঙ্গিনী হাজরার নামটাও উল্টো বলছে বিজেপির নেতারা। তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, শিল্প এবং কৃষি আমার দুই ভাই বোন। তিনি বলেন, ১ কোটি ৩০ লাখ লোক একবছরে জগন্নাথ ধামে গিয়েছেন। তাঁর কথায়, অভিষেকই আগামীতে দায়িত্ব নিয়ে এখানে কাজ করবে।