ইরানের সামরিক হানা আরও তীব্র করল আমেরিকা ৷ দক্ষিণ ইরানের একটি সেতুতে মার্কিন হামলায় সাতজনের প্রাণ গিয়েছে বলে জানিয়েছে সংবাদসংস্থা এপি ৷ ইরান সরকার পরিচালিত সংবাদমাধ্য়মের দাবি স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাতের পর শুক্রবার সকালেও হামলা চালাচ্ছে মার্কিন সামরিক বাহিনী ৷ পূর্ব পরিকল্পনা অনুসারে এবার তারা সেতু থেকে শুরু করে অন্য পরিকাঠামোকেই হামলার নিশানা করেছে ৷ পাল্টা কাতারে হামলা চালিয়েছে ইরান ৷

আমরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগেই জানিয়েছিলেন হরমুজ প্রসঙ্গে সমঝোতা না করলে ইরানে হামলা আরও তীব্র হবে ৷ সেতু থেকে শুরু করে অন্য পরিকাঠামোয় হামলা চালিয়ে তেহরানের উপর চাপ আরও বাড়াতে চায় ওয়াশিংটন ৷ সেই দিক নির্দেশ মেনেই হামলা চালাচ্ছে সামরিক বাহিনী ৷

এরইমধ্য়ে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় হোয়াইট হাউজ থেকে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন ট্রাম্প ৷ অতীতে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হওয়া একাধিক গরমিল নিয়ে বেশ কয়েকটি দাবি করেন তিনি ৷ একটি প্রসঙ্গে ইরানে মার্কিন বাহিনীর হামলার কথা টেনে তিনি দাবি করেন, সামরিক সংঘাতে জয়লাভের খুব কাছে দাঁড়িয়ে আছে আমেরিকা ৷ শুধু তাই নয়, সেই ফেব্রুয়ারির শেষ দিন থেকে শুরু হওয়া সংঘাত নিয়ে বারবার সমালোচনায় বিদ্ধ ট্রাম্প ঠারেঠোরে এটাও বুঝিয়ে দেন যুদ্ধের সুফল পেতে আর বেশিদিন অপেক্ষা করতে হবে না ৷

এসবের মাঝে পাল্টা মধ্য়প্রাচ্যে আমেরিকার মিত্র দেশে আঘাত হানছে ইরান ৷ কাতারে তারা মিসাইল হামলা চালিয়েছে ৷ কাতার প্রশাসনের তরফ থেকে সে দেশের নাগরিকদের আপাতত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে ৷ দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গিয়েছে ৷ কাতারে ইরানের হামলা চালানোর একটি বিশেষ তাৎপর্য আছে ৷ পাকিস্তানের পাশাপাশি ইরান ও আমেরিকার মধ্যে চলতে থাকা সামারিক সংঘাত শেষ করতে বড় ভূমিকা নিয়েছে কাতার ৷