প্রয়াত বিজেপি নেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায় । জানা গিয়েছে, সোমবার বেলা ১১টা ৩৫ মিনিটে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন । শেষ সময়ে তাঁর পাশে ছিলেন দ্বিতীয় পক্ষের স্ত্রী অঙ্কিতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও মা । ১৫ অগাস্ট তিনি ভর্তি হন শহরের এক বেসরকারি হাসপাতালে । ১৭ অগাস্ট ভেন্টিলেশনে দেওয়া হয় তাঁকে । আপাতত হাসপাতালেই রয়েছে অভিনেতার মরদেহ ৷ হাসপাতাল সূত্রে খবর, সোমবার সকালে হৃদরোগে আক্রান্ত হন তারকা রাজনীতিক। এদিন বেলা সাড়ে এগারোটার পর ওই হাসপাতালেই মৃত্যু হয়। রাজনৈতিক মানুষ হওয়ার অনেক আগে তিনি ছিলেন একজন অভিনেতা । জয় বন্দ্যোপাধ্যায় অভিনীত একাধিক ছবি বাঙালির মনে আজও দাগ কেটে আছে । ১৯৬৩ সালের ২৩ মে জন্ম হয় তাঁর। তৃণমূল কাউন্সিলর অন্যান্য বন্দ্যোপাধ্যায় প্রাক্তন স্বামী। বিচ্ছেদের পর দ্বিতীয়বার বিয়েও করেন। বর্তমানে দ্বিতীয় স্ত্রী অঙ্কিতা এবং মাকে নিয়েই থাকতেন জয়। অভিনয় জগতের মাধ্যমে পরিচিতি তাঁর। জয় ও চুমকি চৌধুরীর ‘হীরক জয়ন্তী’ মন জয় করেছে দর্শকদের। তারপর একের পর এক হিট ছবি উপহার দিয়েছেন জয়। ‘মিলন তিথি’, ‘জীবন মরণ’, ‘নাগমতি’, ‘চপার’ ছবি দর্শক মহলে প্রশংসিত। এরপর রাজনীতির আঙিনায় পাড়ি জমান জয়। নাম লেখান গেরুয়া শিবিরে। ২০১৪ সালে তৃণমূলের তারকা প্রার্থী শতাব্দী রায়ের বিরুদ্ধে বীরভূম লোকসভা কেন্দ্রে ভোটে লড়েন জয়। একবার উলুবেড়িয়া লোকসভা কেন্দ্র থেকেও লোকসভা ভোটে লড়েন। সেবার অবশ্য জয়ী হতে পারেননি। ২০২১ সালে অবশ্য পাকাপাকিভাবে বিজেপি থেকে ‘সন্ন্যাস’ নেন জয়। তারপর থেকে প্রচারের অন্ধকারেই চলে গিয়েছিলেন একসময়ের তারকা রাজনীতিক। তাঁর মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ রাজনৈতিক মহল। আজই হবে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া ।